বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন


বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেসার ক্রিসমার স্যান্টোকির বিরুদ্ধে। এখনো প্রমাণিত হয়নি সেটি। তবে বিপিএলে ফিক্সিংয়ের ঘটনা বহু পুরনো। এর আগেও দেশিয় তারকা ক্রিকেটার থেকে শুরু করে, বিদেশি অনেক ক্রিকেটারও জড়িয়েছেন ফিক্সিং কান্ডে।
বিপিএল যেন জুয়াড়িদের আখড়া। শুরু থেকে এই সপ্তম আসরে এসেও ফিক্সারদের কুনজর এড়াতে পারেনি এই টুর্নামেন্ট। সম্প্রতি স্যান্টোকির বিতর্কিত ওয়াইড আর নো বলে আবারো উঠেছে সমালোচনার ঝড়। বিপিএল আসর আসলে ফিক্সিং রোগ যেন জেঁকে বসে।

এই যেমন বিপিএলে প্রথম এই ধরণের কাণ্ড ঘটান মোহাম্মদ আশরাফুল। ২০১৩ সালে বিপিএলের দ্বিতীয় সংস্করণে। সে সময়কার সুপারস্টারকে ভোগ করতে হয় কঠিন সাজা। প্রথমে ৮ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও পরবর্তীতে কমিয়ে করা হয় ৫ বছর। তাতেও ক্রিকেট থেকে অনেকটাই ছিটকে গেছেন বাংলাদেশের তারকা।

এরপর একই অভিযোগ ওঠে নিউজিল্যান্ডের লুই ভিনসেন্টকে নিয়ে। বিপিএলে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও দুর্নীতি দমন ইউনিটকে না জানানোয় ৩ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন এই কিউই ব্যাটসম্যান। পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটেও ফিক্সিংয়ের অভিযোগে আজীবনের নিষেধাজ্ঞা পান ভিনসেন্ট।

বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে লঙ্কান অখ্যাত ক্রিকেটার কৌশল লুকোরোচ্চির নামেও। পোহাতে হয় ১৮ মাসের নিষেধাজ্ঞা।

সম্প্রতি বিপিএলে কয়েকবার ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েছিলেন বলে স্বীকার করেছেন পাকিস্তানি ওপেনার নাসির জামশেদ। সম্প্রতি আকসুর তদন্তের পর এমন খবর বেরিয়ে আসে। যদিও পাকিস্তান সুপার লিগে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ২০১৭ সালেই ক্রিকেট থেকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন নাসির জামশেদ।

সবশেষ এমন অভিযোগ উঠলো স্যান্টোকির নামে। যদিও এখনও অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তবে যেভাবে তিনি ওয়াইড কিংবা নো বল করেছেন তাতে সন্দেহের তীর ছুঁড়ছেন অনেকেই। এখন দেখার বিষয় তদন্তে কি বেরিয়ে আসে! কেচো খুঁড়তে সাপ বেরিয়ে আসলেও আসতে পারে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন